Skip to main content

Posts

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৮তম সংখ্যা ।। বৈশাখ ১৪৩৩ এপ্রিল ২০২৬

  শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ নবপ্রভাতের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই শুভ বাংলা নববর্ষের হার্দিক শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।  সকলের মঙ্গল হোক। পারস্পরিক সৌহার্দ্যে নন্দিত হোক জীবন। বাংলা নববর্ষকেন্দ্রিক লেখাগুচ্ছ এই সংখ্যায় রইল। অন্যান্য লেখা পরে প্রকাশিত হবে। —নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত।   সূচিপত্র পহেলা বৈশাখ : অদ্বিতীয় বাঙালির সর্বজনীন উৎসব ।। অলোক আচার্য বোশেখের ঘুড়ি ।। শাহ মতিন টিপু পয়লা বৈশাখ : বাঙালির প্রাণের উৎসব ।। উৎপল সরকার মাটি, বঁড়শি ও রক্তের আখ্যান ।। দিব্যেন্দু ঘোষ হালখাতা — বাঙালিয়ানা ।। শ্যামল হুদাতী বাংলা নববর্ষ : বাঙালির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের প্রতীক ।। তপন মাইতি বাংলা পঞ্জিকার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ।। তুষার ভট্টাচার্য হালখাতা ।। চন্দ্রমা মুখার্জী নববর্ষের গৌরচন্দ্রিকা ।। অভীক চন্দ্র নববর্ষের সেকাল একাল ।। মিতা ভৌমিক নববর্ষের নবতম আশা ।। সমীর কুমার দত্ত দুই আকাশ, এক নববর্ষ ।। রাজদীপ মজুমদার আমার সন্ন্যাস ।। অংশুদেব পয়লা থেকে একলা হওয়া ।। সুকান্ত ঘোষ পহেলা বৈশাখে আনন্দ নগরের স্মৃতি ।। সারাবান তহুরা মৌমিতা বাংলা নববর্ষ ।। পার্থপ্রতিম দত্ত স্মৃতির পাতায় পয়লা ।। দেবশ্রী চক্রবর...
Recent posts

পহেলা বৈশাখ : অদ্বিতীয় বাঙালির সর্বজনীন উৎসব ।। অলোক আচার্য

পহেলা বৈশাখ : অদ্বিতীয় বাঙালির সর্বজনীন উৎসব অলোক আচার্য   পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ একটি উৎসব, সর্বজনীন এবং সত্যিকার অর্থেই এর দ্বিতীয়টি নেই। কেবল একটি মাস হিসেবেই নয়, বরং জাতি হিসেবে সামগ্রিকভাবে বাংলা বছরের প্রথম দিন বরণ করে নেওয়ার আগ্রহ, উদ্দীপনা এবং ঐতিহ্য—সব মিলিয়েই এটি আমাদের আনন্দের প্রধান উৎস। প্রতিটি জাতির নিজস্ব কিছু প্রচলিত অনুষ্ঠান থাকে, বৈচিত্র্যময়তা থাকে, ধারক থাকে যা দেখলে সেই জাতির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, প্রথা ফুটে ওঠে। প্রতিটি জাতির নিজস্ব কিছু পোশাক থাকে, গান থাকে, আচার-আচরণ থাকে। সেই জাতি সেই পোশাকে, আচরণে পরিচিত হয়ে ওঠে। যদি পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে তাকাই দেখা যায়, এখন আধুনিকতা থাকলেও সেখানেও কিছু নির্দিষ্ট দিনে তারা তাদের প্রথা পালন করে। চীন ও জাপানেও তাদের নিজস্ব পোশাক, আচরণ ধরে রেখেছে। এমনকি তাদের সমৃদ্ধ নৃত্য ও গানও তারা পালন করেন। যদি বাংলাদেশের উপজাতিদের দেখি তাহলেও তাঁরা নিজস্ব অনুষ্ঠানগুলো খুব আনন্দের সাথেই পালন করে। বাঙালির নিজস্ব অনুষ্ঠান বলতে প্রথমেই আসে পহেলা বৈশাখের কথা। এটি বাঙালির একেবারেই নিজস্ব সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। বাঙালির চিন্তা-চেতনায় যে...

বোশেখের ঘুড়ি ।। শাহ মতিন টিপু

  বোশেখের ঘুড়ি শাহ মতিন টিপু  এক অদৃশ্য সুতোয় আমাকে বেঁধে  রেখেছে এক চিরহরিৎ বিল— ফলানো শস্য তার দোল খায় হাওয়ায় হাওয়ায়, কুচকুচে কালো দীর্ঘ লেজ দুলিয়ে ফিঙে মাতে উৎসবে সাদাকালো দোয়েল শিশে শিশে করে আবাহন— ভোরের আলোয় সজীব হয়ে ওঠে রাতের ঘাতে নির্জীব হওয়া মন। বিলের ডান পাশ ঘেঁষে বয়ে যাওয়া খালে ডুব সাঁতার, কাপড় আঁচলে ছোটো মাছ ধরা নিয়ে ছোটাছুটি হইচই, জোয়ারের জলে ঝাপ কিংবা হারাহারি খেলায় বেলা পার করে— আলপথ ধরে শেষে ফিরে যাওয়া ঘরে। শালিকেরা বাগানের ফুল ফলে দলে দলে কোলাহলে উচ্ছল, জলাধার জুড়ে বকের আনাগোনা, নিজের বোনা বাসায় আয়েশে দুলতো বাবুই— সুখ আর সুখ এই পাখি ওড়াউড়ি  দূর সে বাঁধনে আমিও যে বোশেখের ঘুড়ি। ............................. শাহ মতিন টিপু  সেগুনবাগিচা ঢাকা ১০০০

পয়লা বৈশাখ : বাঙালির প্রাণের উৎসব ।। উৎপল সরকার

  পয়লা বৈশাখ :  বাঙালির প্রাণের উৎসব উৎপল সরকার গ্রামীণ পশ্চিমবঙ্গে পয়লা বৈশাখ মানেই মাটির গন্ধে ভরা এক সহজ, আন্তরিক আনন্দের উৎসব। কাঁচা রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে মেলার দিকে যাওয়া, লোকগানের সুর, আর প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া সুখ—সব মিলিয়ে এক গভীর মায়াময় যাপনের অনুভূতি তৈরি হয়। অন্যদিকে শহুরে পশ্চিমবঙ্গে এই দিনটি ধরা দেয় একটু ভিন্ন আঙ্গিকে। ব্যস্ততার মাঝেও নতুন পোশাক, রেস্তোরাঁয় খাওয়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সময় কাটানো—সব মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় উৎসবের রূপ বদলায়, কিন্তু আনন্দের সুর একই থাকে। পয়লা বৈশাখ বাঙালির জীবনে এক বিশেষ দিন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে এটি শুধু নতুন বছরের শুরু নয়, বরং নিজের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর শেকড়কে নতুন করে মনে করার বহমান একটি সুন্দর উপলক্ষ। এই দিনটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালির মিলন উৎসব, যেখানে আনন্দ আর আশার বার্তা একসঙ্গে ধ্বনিত হয়। পয়লা বৈশাখ আসার কয়েক দিন আগে থেকেই উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। বাড়ির ছোট-বড় সবাই মিলে ঘরদোর পরিষ্কার করে, নতুন করে সাজিয়ে তোলে। দোকানপাটেও তখন আলাদা ব্যস্ততা দেখা যায়। ব্যবসায়ীরা নতুন বছরের শু...

মাটি, বঁড়শি ও রক্তের আখ্যান ।। দিব্যেন্দু ঘোষ

  বাংলা নববর্ষকেন্দ্রিক গল্প মাটি , বঁড়শি ও রক্তের আখ্যান দিব্যেন্দু ঘোষ বাঁকুড়ার একেবারে শেষ প্রান্তের গ্রাম খয়েরবনি। চৈত্রের দুপুরে গ্রামটাকে দেখলে মনে হয় যেন কোনও রাক্ষস তার সর্বস্ব শুষে নিয়ে ছিবড়ে করে ফেলে রেখে গেছে। মাঠের পর মাঠ ফুটিফাটা , ধানের গোলাগুলো খাঁ খাঁ করছে। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সরু নদীটা কবেই শুকিয়ে কাঠ , সেখানে এখন শুধু বালি আর নুড়িপাথরের কঙ্কাল। এই প্রবল খরা আর খিদের জ্বালা, এ দুইয়ের সঙ্গেই খয়েরবনি গ্রামের মানুষের নাড়ির টান। এখানে জীবন মানে প্রতিদিনের ক্লান্তিহীন যুদ্ধ , যেখানে জেতার কোনও আশা নেই , শুধু টিকে থাকাটাই একমাত্র লক্ষ্য । গ্রামের একেবারে শেষ মাথায় বুড়ো শিবতলার প্রাচীন নাটমন্দির। সেটারও ভগ্নদশা , পলেস্তারা খসে গিয়ে ভিতরের নগ্ন ইটগুলো বেরিয়ে পড়েছে। নাটমন্দিরের এক কোণে বসেছিল রতন। ওর বয়স পঁচিশ কি ছাব্বিশ হবে , কিন্তু অভাব আর রোদের তাপে চামড়া পুড়ে গিয়ে ওকে আরও অন্তত দশ বছরের বড় দেখায়। পরনে শতচ্ছিন্ন ফতুয়া , চোখের নীচে গভীর কালি , বুকের পাঁজরগুলো গোনা যায় । আর মাত্র দু ' দিন পরেই গাজন। গ্রামের প্রা...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

বছরের বাছাই

মাসের বাছাই