রূপসী বাংলা মাসুদ রানা নীল আকাশে ছায়াতল সবুজ গালিচার হাসি, তাইতো আমি পাখি হয়ে উড়ে উড়ে আসি। গাছের ডালে মিষ্টি সুরে ডাকে তালে তালে, দোয়েল শ্যামা গাছের পাতায় বাসা বাঁধা ডালে। চারিদিকে ঘন মেঘ বর্ষার আবাস মেঘে মেঘে, বিকাল হলে ঘিরে আসে কালো মেঘে রেগে। রাতে নামে মেঘনার ওই ঢল জলের রাশি রাশি, নয়ন জুড়ায় জলের দেখে নদীর বুকে হাসি। কদম ফুলে বৃষ্টি ঝরে মুক্তা ঝরে আখি, প্রকৃতির ওই রূপসী বাংলা দেখা অনেক বাকি। লতা পাতায় ঘাসে ডাকে সবুজ মাঠে আয়ে, বাড়ির পাশে নদীর পানি নিরেবধি বয়ে। ...................
তিনটি কবিতা ।। রাজর্ষি রায় চৌধুরী ১. শ্রাবণের চিঠি রিমঝিম রিমঝিম আকাশ কাঁদে, মেঘেরা যেন আজ বাঁধন মানে না। তোমার চোখের ওই কাজল কালো ছায়া, আমার মনকে যেন আর ফেরায় না। শ্রাবণের এই অবিরাম ধারায়, ভিজতে চাই আজ শুধু তোমারই হাত ধরে, বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যেন বলে যায়, তুমি আছো আমারই মনের গভীরে। ২. বৃষ্টির ঘ্রাণে শুধু তুমি কদম ফুলের গন্ধ মেখে, আষাঢ়ের মেঘেরা আজ আকাশে মেলা। তোমার সাথে কাটানো সব স্মৃতি, আমায় যেন দেয় যে নিবিড় দোলা। জানালার কাঁচে বৃষ্টির ফোঁটা, শোনায় শুধু তোমারই গান, বর্ষার এই স্নিগ্ধ বাতাসে, তোমাতেই সঁপে দিলাম আমার প্রাণ। ৩. মেঘলা দিনের প্রেম মেঘে মেঘে আকাশ হলো কালো, বৃষ্টি নামলো এই ধরণীর বুকে। ভিজে যাক আজ সব অভিমান, হারিয়ে যাই চেনা-অচেনা সুখে। এক ছাতার নিচে পাশাপাশি হাঁটা, ভিজে যাওয়া দুই জোড়া মন, বর্ষার এই মিষ্টি সন্ধ্যায়, তুমিই আমার অনন্ত অম্বুধি, তুমিই শ্রাবণ। ........................ রাজর্ষি রায় চৌধুরী। গ্রাম - করিমপুর (মন্ডল পাড়া দূর্গা মন্দিরে পাশে) পোস্ট+ থানা - করিমপুর। জেলা- নদিয়া। পিন কোড নম্...