আসছে উমা মর্ত্য থেকে ফিরেই গনেশ মুখ করেছে ভার, বলছে নাকি মামার বাড়ি যাবেই না সে আর! শুঁড়েতে তার হাত বুলিয়ে মাথায় দিয়ে চুমা, রাগ করেনা সোনা বাবা বলছে ডেকে উমা। গনেশ তবু গোমরা মুখেই গোঁ ধরেছে ভারী, মামার বাড়ির সাথে তার বরাবরের আড়ি...। উমা শুধায় কি হয়েছে বলতো ভালো করে, কেউ কি সেথায় তোর ভুঁড়িতে চিমটি দিল জোড়ে? গনেশ বলে ওসব না মা বদলে গেছে সব, ওদের কাছে পুজো মানে মদিরা উৎসব। সন্ধ্যা হলেই ক্লাব গুলোতে চলছে নেশার রাজ, প্রাণ খোলা সেই আড্ডা মজা কেউ করেনা আজ। উৎসব নয় এখন ওরা ধর্ম নিয়েই মাতে, মানুষ গুলো জাতের নামে এ ওর মাথা কাটে। একলা বসে প্যান্ডেলেতে কান্না পেল ভারী, হারিয়ে গেছে মা-গো আমার চেনা মামারবাড়ি...। উমার চোখও ভিজলো জলে মনটা হল ভার, ধর্ষিতা মেয়ে পায়নি বিচার ...
দর্শন নিরাশাহরণ নস্কর সালটা ১৯৯৪। আমি আর আমার সহপাঠী অন্তরঙ্গ বন্ধু বিশ্বনাথ এসেছি পার্ট ওয়ানের পরীক্ষা দিতে কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ে। আমাদের বাড়ি থেকে কাকদ্বীপ অনেক দূর। যাতায়াত অসম্ভব। আর রাস্তাঘাটের অনিশ্চয়তার কথা ভেবে ওর বাবা আর আমার বাবা এসেছিলেন একটা অস্থায়ী আস্তানার সন্ধানে। মিলেও গিয়েছিল। একটা মেসের কিছু সিট খালি ছিল। সেখানেই মাসখানেকের জন্য আমাদের অস্থায়ী আস্তানা। থাকা, খাওয়া, পড়া আর পরীক্ষা দেওয়া। এক একটা পরীক্ষার ফাঁকে বেশ কিছুদিন ছুটি। প্রতিদিন ভোরে আর সন্ধ্যায় অনতিদুরের কোন একটা মন্দির থেকে ভেসে আসত ভক্তিগীতি সুর। একদিন ওকে বললাম, চল, একবার একটু ঘুরে আসি। আশপাশটাও দেখা হবে আর মন্দিরটাতে একবার ঘুরে আসব। প্রতিদিন এত সুন্দর সুন্দর ভক্তিগীতির সুর শুনি, মন্দিরটা নিশ্চয়ই সুন্দর বা মূর্তিটাও সুন্দর হবে। সন্ধ্যার কাছাকাছি একদিন বেরিয়ে পড়লাম। গ্রাম্য পরিবেশের মাধুর্যের মধ্যে সুর লক্ষ্য করে হেঁটে চলেছিলাম দুজন। ৫-৭ মিনিট হাঁটতেই চলে এলাম মন্দিরের কাছাকাছি। আহামরি বিরাট কিছু না হলেও খুব ছোট নয় মন্দিরটা। সৌন্দর্যও বেশ। রাস্তার প...